জীবনের স্রোতে ভাসতে ভাসতে চলে আসা অন্য এক চরিত্র চুড়ি-ফিতে-লিপস্টিক বিক্রি করা জুলি। ছিন্নমূল মানুষের জীবনে প্রেম থাকে না। মোহনের জীবনেও তাই কোনো মনের মানুষের সন্ধান মেলেনি, নিঃসঙ্গ একাকী বয়স গড়িয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই প্রথম জুলিকে দেখে, জুলির জীবনের ভাঙা–গড়ার গল্প শুনে মোহনের মনে আশা জাগে। জুলিও মোহনের বাঁশির সুরের প্রেমে পড়ে। দুজনের জীবনের ক্ষত অপূর্ণ স্থানের দূরত্ব হয়তো ঘুচে যেত একসময়, কিন্তু এখানেও এসে ঢুকে পড়ে সদরের লালসা চোখ। সদর চুরি–ছিনতাই করে আনা অর্থ দিয়ে জুলির সঙ্গে শাড়ির ব্যবসা শুরু করে। বংশীবাদকের হাত ধরলে জীবনে কখনো অনেক টাকা আসবে না, সদরের সঙ্গে থাকলে অর্থের অভাব ঘুচে যাবে। মোহনকে মন দিয়ে বসেও জুলি শেষপর্যন্ত সদরের কাছে নিজেকে সমর্পন করে। আর এই বস্তিতে বেশি দিন থাকলে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যাবে বুঝতে পেরে সদর জুলিকে নিয়ে একসময় চলে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *